মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

খাল ও নদী

উলাশী ইউনিয়নের উল্লেখযোগ্য খাল এবং বেতনা উলাশী গ্রামে অবস্থিত। উলাশী এবং রঘুনাথপুর বাগ গ্রামের মাঝদিয়ে বয়ে গেছে উলাশীর বেতনা নদী, উলাশীর বেতনা নদীতে সারাবছর প্রচুর পরিমান পানি থাকে এবং প্রাকৃতিক মাছ পাওয়া যায়। 

উলাশীর উল্লেখ যোগ্য খালের মধ্যে জিয়ার খাল অন্যতম যেটি উলাশী এবং রঘুনাথপুর গ্রামের মুখ থেকে শুরু করে যদুনা্থপুর গ্রাম পর্যন্ত প্রবাহিত হচ্ছে। উলাশীল এ খাল কাটার পিছনে উল্লেখযোগ্য অবদান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানের। 

এ প্রসঙ্গে প্রথমেই মনে পড়ে যশর জেলার উলশী-যদুনাথপুরের বেতনা নদী সংযোগ প্রকল্প। ১৯৭৬ সালের ১ লা নভেম্বর। উলশী – যদুনাথপুরের যেখানে খাল কাটা শুরু হওয়ার কথা সেখানে অপেক্ষা করেছিলাম। অপেক্ষা করছিলাম একটি সামাজিক আন্দোলন শুরু করার অপেক্ষায় একজন মানুষের জন্য। তিনি মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান।

যথা সময়ে হেলিকপ্টার এল। তিনি হেলি কপ্টার থেকে নেমে এগিয়ে গেলেন প্রকল্পের দিকে, সাথে সেনাবাহিনীর অনেক উচ্চ পদস্থ অফিসার। তার পরনে ছিল সামরিক পোষাক। হাতে ছিল ছড়ি। সব কিছু দেখে আমার আগে কার দিনের নেতাদের কথাই মনে হচ্ছিল। ভাবছিলাম আজো বক্তৃতা মঞ্চে ভাষন দেবার হাজার হাজার মানুষের ছবি পাঠাব। কিন্তু পাঠান হয় নি পাঠালাম রাইফেল ধরা হাতে কোদাল ধরা ছবি। পুরো সামরিক পোষাকে সজ্জিত সেনাপতির মাটি কাটার ছবি।

বেতনা নদীর দৈর্ঘ্য বারো মাইল। খালের বিভিন্ন সাথে কোদাল হাতে মাটি কেটে যাচ্ছেন জিয়া আর সে দৃশ্য সাধারনের মাঝে এক অভুত পূর্ব প্রেরনা সঞ্চার করেছিল। ছবি তুলছিলাম আর ভাবছিলাম “এখান থেকে শুরু হল দেশের পট পরিবর্তনের এক নতুন পালা” সুদীর্ঘ ১৬ মাইল পথ পায়ে হেটে সাধারন মানুষের দুয়ারে দুয়ারে গিয়ে তিনি ব্যাখ্য করতে লাগলেন প্রকল্পের ভবিষ্যতের কথা। বুজাচ্ছিলেন এই খাল খনন হলে সামনে কি হবে।

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter